চট্টগ্রামে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ কিশোরের মৃত্যু
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএনপি’র কর্মসূচিতে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে। এই ঘটনায় জাহেদ হোসেন রুমন (১৬) নামে এক কিশোর প্রাণ হারায়। সংঘর্ষে জড়ানো উভয়পক্ষই নিহত কিশোরকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করছেন। এই ঘটনায় ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মিরসরাইয়ের ওসমানপুরের আজমপুর বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত জাহেদ হোসেন রুমন স্থানীয় মৃত নুর জামানের পুত্র। তিনি একটা পানি সাপ্লাইয়ের দোকানে চাকরি করতেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, আগামী ৪ঠা অক্টোবর বিএনপি’র কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে রোডমার্চ উপলক্ষে মীরসরাইয়ের ওসমানপুরে একটি পথসভা করার কর্মসূচির আয়োজন করে উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা এসে হামলা করে। পরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এতে জাহেদ হোসেন রুমন নিহত ও উভয়পক্ষের ১০-১২ জন আহত হন। এদিকে নিহত রুমনকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়েই নিজেদের কর্মী বলে দাবি করছে। আর এই ঘটনার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে। এরমধ্যে নিহত রুমনের মরদেহ থানায় নেয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা সংগঠিত হয়ে রাত ৮টায় বিএনপি’র নেতা নুরুল আমিনের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে। অন্যদিকে, বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর চালায়। মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া বলেন, ‘বিএনপি নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলায় আমাদের ছাত্রলীগের এক কর্মী নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরও পাঁচজন। তারা এ সময় আজমপুর বাজারে অবস্থিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়েও হামলা চালায়।’

%20(17).jpeg)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন